বর্তমানে ঘরে বসেই মোবাইল বা ল্যাপটপের মাধ্যমে নিজেই আপনার ই পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে পারবেন দালাল ছাড়াই। যাদের পুর্বে পাসপোর্ট করা আছে তারাও রিনিউ করে নতুন ই পাসপোর্ট নিতে পারবেন। ই পাসপোর্ট আবেদনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সবগুলো ধাপ অত্যান্ত সহজভাবে নিম্নে বর্নিত হয়েছে। নতুন ই পাসপোর্ট আবেদন এবং রিনিউ করার আবেদন প্রক্রিয়া একই এবং ফি এর পরিমান একই ।
ই-পাসপোর্ট আবেদনের ধাপ
ই-পাসপোর্ট আবেদনের জন্য ৫টি সহজ ধাপ রয়েছে। ধাপগুলো হলো:
ধাপ-১ : অনলাইনে ই-পাসপোর্ট আবেদন ফরম পূরণ।
ধাপ-২ : পাসপোর্ট ফি পরিশোধ ।
- Advertisement -
ধাপ-৩ : ছবি ও ফিঙ্গার প্রিন্টের জন্য পাসপোর্ট অফিসে যোগাযোগ ।
ধাপ-৪ : এস বি পুলিশ ভেরিফিকেশন ।
ধাপ-৫ : পাসপোর্ট অফিস থেকে ই-পাসপোর্ট সংগ্রহ ।
ধাপ-১ : অনলাইনে ই-পাসপোর্ট আবেদন ফরম পূরণ
- অনলাইন আবেদন : আবেদন প্রক্রিয়ার জন্য ক্লিক করুন এখানে । লিংক https://www.epassport.gov.bd/onboarding
আবেদনের শুরুতেই আপনাকে আপনার বর্তমান জেলা এবং থানা সিলেক্ট করতে হবে। কারন আপনার পাসপর্টের বিস্তারিত প্রক্রিয়া বর্তমান ঠিকানাতেই হবে। অর্থ্যাত বায়োমেট্রিক এবং পাসপোর্ট সংগ্রহ সব বর্তমান জেলাতেই হবে।
তারপর আপনার একটি ইমেইল এবং পরে একটি পাসওয়ার্ড দিয়ে একাউন্ট ক্রিয়েট করতে হবে।
তারপর আপনার নাম, মোবাইল নাম্বার ইত্যাদি দেয়ার পর অনেকগুলো অপশন অটোমেটিক পূরন হয়ে যাবে। এভাবে কয়েক ধাপে নিজের বর্তমান এবং স্থায়ী ঠিকানা, পিতা-মাতা অভিভাবক ইত্যাদি অপশনগুলো পুরন করতে হবে। স্টার (*) দেয়া অপশনগুলো অবশ্যই পুরন করতে হবে।
আবেদনের শেষ ধাপে আবেদন ফরম এবং পেমেন্ট ফরম ডাউনলোড করে সংরক্ষন করতে হবে। এবং নির্ধারিত তারিখে এগুলোর সাথে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ পাসপোর্ট অফিসে বায়োমেট্রিক দিতে যেতে হবে।
ধাপ-২ : পাসপোর্ট ফি পরিশোধ
- নতুন পাসপোর্ট আবেদন এবং রিনিউ এর ফি এবং সময় একই।
- বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বসবাসরতদের আবেদনের ক্ষেত্রে আবেদন ফি নিম্নরূপঃ (১৫% ভ্যাট সহ)
৪৮ পৃষ্ঠা এবং ৫ বছর মেয়াদ সহ পাসপোর্ট নিয়মিত বিতরণ: ৪,০২৫ টাকা। জরুরী বিতরণ: ৬,৩২৫ টাকা। অতীব জরুরী বিতরণ: ৮,৬২৫ টাকা।
৪৮ পৃষ্ঠা এবং ১০ বছর মেয়াদ সহ পাসপোর্ট নিয়মিত বিতরণ: ৫,৭৫০ টাকা। জরুরী বিতরণ: ৮,০৫০ টাকা। অতীব জরুরী বিতরণ: ১০,৩৫০ টাকা।
৬৪ পৃষ্ঠা এবং ৫ বছর মেয়াদ সহ পাসপোর। নিয়মিত বিতরণ: ৬,৩২৫ টাকা। জরুরী বিতরণ: ৮,৬২৫ টাকা। অতীব জরুরী বিতরণ: ১২,০৭৫ টাকা।
৬৪ পৃষ্ঠা এবং ১০ বছর মেয়াদ সহ পাসপোর্ট নিয়মিত বিতরণ: ৮,০৫০ টাকা। জরুরী বিতরণ: ১০,৩৫০ টাকা। অতীব জরুরী বিতরণ: ১৩,৮০০ টাকা।
- বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশন হতে আবেদনের ক্ষেত্রে (সাধারণ আবেদনকারী) :
৪৮ পৃষ্ঠা এবং ৫ বছর মেয়াদ সহ পাসপোর্ট নিয়মিত বিতরণ: ১০০ মার্কিন ডলার। জরুরী বিতরণ: ১৫০ মার্কিন ডলার।
৪৮ পৃষ্ঠা এবং ১০ বছর মেয়াদ সহ পাসপোর্ট নিয়মিত বিতরণ: ১২৫ মার্কিন ডলার। জরুরী বিতরণ: ১৭৫ মার্কিন ডলার।
৬৪ পৃষ্ঠা এবং ৫ বছর মেয়াদ সহ পাসপোর্ট নিয়মিত বিতরণ: ১৫০ মার্কিন ডলার। জরুরী বিতরণ: ২০০ মার্কিন ডলার।
৬৪ পৃষ্ঠা এবং ১০ বছর মেয়াদ সহ পাসপোর্ট নিয়মিত বিতরণ: ১৭৫ মার্কিন ডলার। জরুরী বিতরণ: ২২৫ মার্কিন ডলার।
- বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশন হতে আবেদনের ক্ষেত্রে (শ্রমিক ও ছাত্র) :
৪৮ পৃষ্ঠা এবং ৫ বছর মেয়াদ সহ পাসপোর্ট নিয়মিত বিতরণ: ৩০ মার্কিন ডলার। জরুরী বিতরণ: ৪৫ মার্কিন ডলার।
৪৮ পৃষ্ঠা এবং ১০ বছর মেয়াদ সহ পাসপোর্ট নিয়মিত বিতরণ: ৫০ মার্কিন ডলার। জরুরী বিতরণ: ৭৫ মার্কিন ডলার।
৬৪ পৃষ্ঠা এবং ৫ বছর মেয়াদ সহ পাসপোর্ট নিয়মিত বিতরণ: ১৫০ মার্কিন ডলার। জরুরী বিতরণ: ২০০ মার্কিন ডলার।
৬৪ পৃষ্ঠা এবং ১০ বছর মেয়াদ সহ পাসপোর্ট নিয়মিত বিতরণ: ১৭৫ মার্কিন ডলার। জরুরী বিতরণ: ২২৫ মার্কিন ডলার।
ই-পাসপোর্ট পেমেন্ট:-
১। অনলাইন (ekpay-এর মাধ্যমে): (Payment option: VISA, Master Card, American Express, bKash, Nagad, Rocket, Upay, Dmoney, OK Wallet, Bank Asia, Brack Bank, EBL, City Bank, UCB, AB Bank, DBBL, Midland Bank, MBL Rainbow)
২। অফলাইন: এ-চালানের মাধ্যমে দেশের সকল সরকারি অথবা বেসরকারি ব্যাংক থেকে পরিশোধ করা যাবে । ঘরে বসে নিজে অফলাইনে পেমেন্ট করতে ক্লিক করুন https://ibas.finance.gov.bd/acs/general/sales#/home/dashboard।
ধাপ-৩ : ছবি ও ফিঙ্গার প্রিন্টের জন্য পাসপোর্ট অফিসে যোগাযোগ
- ছবি ও ফিঙ্গার প্রিন্টের জন্য পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার আগে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে নিয়েছেন কি না নিশ্চিত হোন।
- ই-পাসপোর্ট আবেদনের জন্য নিম্মবর্ণিত কাগজপত্রের প্রয়োজনঃ১. প্রিন্টকৃত আবেদন ফরম।২. জাতীয় পরিচয়পত্রের মূল ও ফটোকপি।৩. পূর্বের পাসপোর্ট ও এর ফটোকপি (যদি থাকে)।৪. ১৮ (আঠার) বছরের নিম্মে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অনলাইন জন্মনিবন্ধনসনদ ও পিতামাতার এনআইডি।
৫. ০৬ (ছয়) বছরের নিম্মে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে ‘3R’ আর সাইজের ছবি।
৬. ১৫ (পনের) বছরের নিম্মে আবেদনকারীদের পিতা-মাতার ছবি অথবা বৈধ
অভিভাবকের পাসপোর্ট সাইজের ছবি ।
তথ্য/তথ্যাবলি পরিবর্তন করতে সংশ্লিষ্ট দলিলাদি দাখিল করতে হবে যেমন :
স্থায়ী ঠিকানা, বৈবাহিক অবস্থা, পেশা অথবা অন্যান্য তথ্যাদি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দলিলাদি দাখিল করতে হবে।
আপনি যদি নিশ্চিত না হন যে কি কি কাগজপত্র সাথে আনবেন, তাহলে আপনার নিকটস্থ পাসপোর্ট অফিসে যোগাযোগ করুন ।
বি:দ্র:
নিয়মিত বিতরণ: বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্টের তারিখ হতে ১৫ কর্মদিবস /২১ দিনের মধ্যে।
জরুরী বিতরণ: বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্টের তারিখ হতে ৭ কর্মদিবস / ১০ দিনের মধ্যে।
অতীব জরুরী বিতরণ: বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্টের তারিখ হতে ২ কর্মদিবসের মধ্যে।
সরকারি চাকরিজীবি যাদের এনওসি(NOC) /অবসর সনদ (PRL) রয়েছে তারা নিয়মিত ফি জমা দেওয়া সাপেক্ষে জরুরী সুবিধা/ জরুরী ফি জমা দেওয়া সাপেক্ষে অতীব জরুরী সুবিধা পাবেন।

ধাপ-৪ : এস বি পুলিশ ভেরিফিকেশন ।
ধরুন আপনার বাড়ি ময়মনসিংহে কিন্তু আপনি বর্তমানে ঢাকায় থাকেন। যদি বর্তমান ঠিকানা ঢাকায় দেন তাহলে বর্তমান এবং স্থায়ী ঠিকানা তথা ঢাকা এবং ময়মনসিং হ এই দুই জায়গাতেই পুলিশ ভেরিফিকেশন হবে। আর যদি উভয় ঠিকানা একই দেয়া হবে তাহলে এক যায়গাতেই ভেরিফিকেশন হবে এজন্য সময়ও কিছুটা কম লাগবে।
রিনিউ এর ক্ষেত্রে যদি আগের ঠিকানা একই থাকে তাহলে নতুন করে পুলিশ ভেরিফাই হবেনা।
যদি বায়োমেট্রিক দেয়ার ৭ দিনের মধ্যে পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য কল পেয়ে না থাকেন তাহলে কাগজপত্র নিয়ে সংশ্লিষ্ট জেলার এসবি (SB) অফিসে যোগাযোগ করতে হবে। তারা শীঘ্রই আপনার ভেরিফিকেশনের জন্য ব্যবস্থা করবে।
মনে রাখবেন এসবি পুলিশ দাবী করে কেউ টাকা চাইলে প্রতারিত হবেন না। সরাসরি তার সাথে দেখা করবেন, অন্যথায় নিজের লোক পাঠাবেন। এসবি পুলিশ চা পানের টাকা চাইলে না দিলেও সমস্যা নাই, যদি আপনার কাগজপত্র ঠিক থাকে নেগেটিভ দিতে পারবেনা।

ধাপ-৫ : পাসপোর্ট অফিস থেকে ই-পাসপোর্ট সংগ্রহ ।
পাসপোর্ট প্রিন্ট হয়ে সংশ্লিষ্ট অফিসে আসলে মোবাইলে এস এম এসের মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হবে। পরবর্তী যে কোনো দিন গিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করা যাবে। ডেলিভারী স্লিপ/রশিদ: এনরোলমেন্ট সম্পন্ন হওয়ার পর প্রদেয় স্লিপ সংগে নিয়ে আসতে হবে । রিনিউ এর ক্ষেত্রে পুরাতন পাসপোর্ট সংগে আনতে হবে।
অনুমোদিত প্রতিনিধির(নিজ জাতীয় পরিচয়পত্র সাথে আনতে হবে) কাছে পাসপোর্ট প্রদান করা যাবে।

আবেদনপত্রের স্ট্যাটাস চেকঃ
আবেদনের পর পুরো প্রক্রিয়া ধাপে ধাপে কোন অবস্থায় আছে তা অনলাইনে চেক করা যাবে।
আপনার পাসপোর্ট আবেদন কোন অবস্থায় আছে জানতে এই লিংকে ক্লিক করুন https://www.epassport.gov.bd/authorization/application-status

ই-পাসপোর্ট ফরম পূরণের নির্দেশাবলী:
১। ই-পাসপোর্টের আবেদনপত্র অনলাইনে পূরণ করা যাবে।
২। ই-পাসপোর্ট আবেদনের ক্ষেত্রে কোন কাগজপত্র সত্যায়ন করার প্রয়োজন হবে না।
৩। ই-পাসপোর্ট ফরমে কোন ছবি সংযোজন এবং তা সত্যায়নের প্রয়োজন হবে না।
৪। জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) অথবা অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ (BRC English Version) অনুযায়ী আবেদন পত্র পূরণ করতে হবে।
৫। অপ্রাপ্ত বয়স্ক (১৮ বছরের কম) আবেদনকারী যার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) নাই, তার পিতা অথবা মাতার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) নম্বর অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে।
৬। জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) অথবা অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ (BRC English Version) নিম্নোক্ত বয়স অনুসারে দাখিল করতে হবে-
(ক) ১৮ বছরের নিম্নে হলে অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ (BRC English Version).
(খ) ১৮-২০ বছর হলে জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) অথবা অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ (BRC English Version)
(গ) ২০ বছরের উর্ধে হলে জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) আবশ্যক । তবে বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশন হতে আবেদনের ক্ষেত্রে অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ (BRC English Version) গ্রহণযোগ্য হবে।
৭। তারকা চিহ্নিত ক্রমিক নম্বরগুলো অবশ্যই পূরণীয়।
৮। দত্তক/অভিভাবকত্ব গ্রহণের ক্ষেত্রে পাসপোর্টের আবেদনের সাথে সুরক্ষা সেবা বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হতে জারিকৃত আদেশ দাখিল করতে হবে।
৯। আবেদন বর্তমান ঠিকানা সংশ্লিষ্ঠ বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস/আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস/বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনে দাখিল করতে হবে।
১০। ১৮ বছরের নিম্নের সকল আবেদনে ই-পাসপোর্টের মেয়াদ হবে ০৫ বছর এবং ৪৮ পৃষ্ঠার।
১১। প্রাসঙ্গিক টেকনিক্যাল সনদসমূহ (যেমন: ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ড্রাইভার ইত্যাদি) আপলোড/সংযোজন করতে হবে।
১২। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক জিও (GO)/এনওসি (NOC)/ প্রত্যয়নপত্র/ অবসরোত্তর ছুটির আদেশ (PRL Order)/ পেনশন বই আপলোড/সংযোজন করতে হবে যা ইস্যুকারী কর্তৃপক্ষের নিজ নিজ Website এ আপলোড থাকতে হবে।
১৩। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিবাহ সনদ/নিকাহনামা এবং বিবাহ বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে তালাকনামা দাখিল করতে হবে।
১৪। দেশের অভ্যন্তরে আবেদনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ফি এর উপর নির্ধারিত হারে ভ্যাট (VAT) সহ অন্যান্য চার্জ (যদি থাকে) অতিরিক্ত হিসাবে প্রদেয় হবে। বিদেশে আবেদনের ক্ষেত্রেও সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফি প্রদেয় হবে।
১৫। কূটনৈতিক পাসপোর্টের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কনস্যুলার ও ওয়েলফেয়ার উইং (Consular and Welfare Wing) অথবা ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় বরাবর আবেদনপত্র দাখিল করতে হবে।
১৬। বৈদেশিক মিশন হতে নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করা হলে স্থায়ী ঠিকানার কলামে বাংলাদেশের যোগাযোগের ঠিকানা উল্লেখ করতে হবে।
১৭। অতি জরুরী পাসপোর্টের আবেদনের ক্ষেত্রে (নতুন ইস্যু) নিজ উদ্যোগে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সনদ সংগ্রহ পূর্বক আবশ্যিকভাবে আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে।
১৮। (ক) দেশের অভ্যন্তরে অতি জরুরী পাসপোর্ট প্রাপ্তির লক্ষ্যে আবেদনের সাথে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দাখিল করা হলে অন্যান্য সকল তথ্য সঠিক থাকা সাপেক্ষে ২ কর্মদিবসের মধ্যে পাসপোর্ট প্রদান করা হবে।
(খ) দেশের অভ্যন্তরে জরুরী পাসপোর্ট প্রাপ্তির লক্ষ্যে আবেদনের সাথে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দাখিল করা হলে অন্যান্য সকল তথ্য সঠিক থাকা সাপেক্ষে ৭ কর্মদিবসের মধ্যে পাসপোর্ট প্রদান করা হবে।
(গ) দেশের অভ্যন্তরে রেগুলার পাসপোর্ট প্রাপ্তির লক্ষ্যে আবেদনের সাথে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দাখিল করা হলে অন্যান্য সকল তথ্য সঠিক থাকা সাপেক্ষে ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে পাসপোর্ট প্রদান করা হবে।
১৯। আবেদনের সময় মূল জাতীয় পরিচয়পত্র (NID), অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ (BRC English Version) এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে টেকনিক্যাল সনদ, সরকারি আদেশ (GO)/অনাপত্তি (NOC) প্রদর্শন/দাখিল করতে হবে।
২০। পাসপোর্ট রি-ইস্যুর ক্ষেত্রে মূল পাসপোর্ট প্রদর্শন করতে হবে।
২১। হারানো পাসপোর্টের ক্ষেত্রে মূল জিডির কপি প্রদর্শন/দাখিল করতে হবে। পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে অথবা চুরি হলে দ্রুত নিকটস্থ থানায় জিডি করতে হবে। পুনরায় পাসপোর্টের জন্য আবেদনের সময় পুরাতন পাসপোর্টের ফটোকপি এবং জিডি কপিসহ আবেদনপত্র দাখিল করতে হবে ।
২২। ০৬ বছর বয়সের নিম্নের আবেদনের ক্ষেত্রে ৩ আর (3R Size) সাইজের ( ল্যাব প্রিন্ট গ্রে ব্যাকগ্রউন্ড ) ছবি দাখিল করতে হবে।
তথ্য সূত্রঃ
বহিরাগমন শাখা ১ , সুরক্ষা সেবা বিভাগ , স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়স্মারক নং ৫৮.০০.০০০০.০৪০.০১.০০৩.১৬-১২৩৪
নিরাপত্তা ও বহিরাগমন অনুবিভাগ, ৫৮.০০.০০০.০৪৩.৯৯.০২২.২২.২২ -ক্রমিক নং ১০।
অতীব জরুরী আবেদন।
যাদের অতীব জরুরি ভিত্তিতে পাসপোর্ট প্রয়োজন তারা এই সেবাটি উপভোগ করতে পারবেন।
অতীব জরুরী পাসপোর্ট সেবা কি?
অতীব জরুরী পাসপোর্ট ডেলিভারি কত দিনে পাওয়া যাবে?
অতীব জরুরী পাসপোর্ট এর জন্য কারা আবেদন করতে পারবেন?
অতীব জরুরী পাসপোর্ট সেবাটির জন্য কোথায় আবেদন করতে হবে?
অতীব জরুরী পাসপোর্ট প্রদান/ডেলিভারি প্রক্রিয়া কি?
[ই-পাসপোর্টের আবেদন করতে এবং
এ সংক্রান্ত যে কোনো প্রয়োজনে
01521-438601 এই নাম্বারে।]
